Latest Post

কওমীর স্বীকৃতি ও দেবিমূর্তি বিরোধী বক্তব্য আর রাজনৈতিক স্বার্থের ভেল্কিবাজি: মুহাম্মাদ মামুনুল হক

ঢাকা ১৩ই এপ্রিল'১৭ আজকের প্রথম আলোর প্রথম পাতায় প্রধান শিরোনাম দেখে মনে পড়ছে দুই হাজার ছয়ের কথা ৷ যখন হযরত শায়খুল হাদীস রহঃএর দলের...

Tuesday, April 4, 2017

আপনার মা কিংবা বাবা-কেউ কি এমন একা?


আতিকুল্লাহ আতিক:

বার্ধক্য আর মৃত্যু। মানুষের জীবনের দুটো অমোঘ
সত্য। কিন্তু আমরা কি সেই সময়গুলোর কথা
চিন্তা করি যখন আমরা বার্ধক্যে পৌঁছাবো, যখন
আমাদের জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনী আর আমাদের
পাশে থাকবে না।তখন আল্লাহ ব্যতীত আমাদের
আর কে থাকবে? জীবনের দীর্ঘ সময় একসাথে
কাটিয়ে দেয়া স্বামী বা স্ত্রীকে হারিয়ে
আমরা কিভাবে দিন যাপন করব? চিন্তাটা
স্বাভাবিকভাবেই ভীতিকর।
.
আপনার মা কিংবা বাবা-কেউ কি এমন একা?
যার সারা জীবনের সাথী মারা গেছেন,
সন্তানেরা সবাই বড় হয়ে গিয়েছে, সবাই
নিজেদের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। একবারও ভেবে
দেখেছেন কি যে কিভাবে এই বৃদ্ধ বয়সে আপনার
বাবা কিংবা মা সারাদিন কি করছেন?
কিভাবে একা একা চার দেয়ালের ভিতরে
দিনাতিপাত করছেন? আপনি কি কখনো নিজের
জন্য এরকম জীবন কামনা করবেন?
.
ভাই ও বোনেরা, এই সময়টা একদিন আপনার
জীবনেও আসবে। সুতরাং, আপনার
পিতামাতাকে সময় দেবার যথাসাধ্য চেষ্টা
করুন। এটা আমাদের দায়িত্বসমূহের অন্তর্ভুক্ত
একটি দায়িত্ব। একাকিত্বের দুর্বিষহ যন্ত্রণায়
যেন তাদের শেষ দিনগুলো না কাটে। তারা হয়ত
মুখে বলবেন যে কদাচিৎ তাদেরকে দেখতে
গেলেই তারা খুশি, কিন্তু ভালো করে তাদের
চোখের দিকে তাকিয়ে দেখুন। বুঝতে পারবেন
যে এটা তাদের মনের কথা নয়। তাদের অন্তরের
ব্যথা যদি দেখতে পেতেন তাহলে আপনি কেঁদে
দিতেন।
.
পিতামাতা আমাদের মাঝে বেচে থাকা
অবস্থায় যদি আমরা তাদের জন্য কিছু করতে না
পারি তাহলে আমাদের মাঝে ভাল বলে আর কিছু
কি থাকবে? তারা জীবনভর আমাদের জন্য কতটা
ত্যাগ করেছেন সেটা আমরা কল্পনাও করতে
পারিনা। তাদেরকে এর কিছুটা হলেও ফিরিয়ে
দেয়া কি আমাদের দায়িত্ব নয়?

No comments:

Post a Comment