Latest Post

কওমীর স্বীকৃতি ও দেবিমূর্তি বিরোধী বক্তব্য আর রাজনৈতিক স্বার্থের ভেল্কিবাজি: মুহাম্মাদ মামুনুল হক

ঢাকা ১৩ই এপ্রিল'১৭ আজকের প্রথম আলোর প্রথম পাতায় প্রধান শিরোনাম দেখে মনে পড়ছে দুই হাজার ছয়ের কথা ৷ যখন হযরত শায়খুল হাদীস রহঃএর দলের...

Showing posts with label সাস্হ্য. Show all posts
Showing posts with label সাস্হ্য. Show all posts

Saturday, February 25, 2017

আপনার কোন ধরনের অ্যালার্জি হয়?

অ্যালার্জির রয়েছে বিভিন্ন রকম ভেদ। ছবি : রিডার্স ডাইজেস্ট
অ্যালার্জিতে অনেকেই আক্রান্ত হন। অ্যালার্জির রয়েছে রকমভেদ। অ্যালার্জির বিভিন্ন ধরন নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা।
অ্যানাফাইলেক্সিস
Advertisement
এটি সবচেয়ে ভয়াবহ অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া। রোগ নিরূপণকারী রেডিও কনট্রাস্ট মিডিয়া, কিছু ওষুধ, যেমন: পেনিসিলিন, হেপারিন, আফিম, বিভিন্ন পোকামাকড়, মৌমাছি, সাপের কামড় ইত্যাদিতে যে মারাত্মক অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া হয়, তাতে একজন মানুষের মুহূর্তের মধ্যে মৃত্যু হতে পারে। এ ধরনের অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ায় যেসব উপসর্গ দেখা দেয় সেসব হলো : শ্বাসকষ্ট, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া, ডায়রিয়া, বমি, চোখমুখ ফুলে যাওয়া প্রভৃতি।
খাবারজনিত অ্যালার্জি
কারো কারো ক্ষেত্রে বিভিন্ন খাবার, যেমন : দুধ বা দুধজাত পণ্য, মাছ, গরুর গোশত, ডিম, নারকেল, কচু, পুঁইশাক ইত্যাদি খাওয়ার পর বিভিন্ন উপসর্গ যেমন চোখমুখ ফুলে যাওয়া, চুলকানি, শ্বাসকষ্ট, ত্বকে ফুসকুড়ি, বমি ও ডায়রিয়া দেখা দেয়। মূলত এসব অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া। আবার জন্মগতভাবে ল্যাক্টোজ জাতীয় খাবারের প্রতি অসহনীয়তা যেকোনো শিশুর দুগ্ধজাত খাবারে ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে। সাধারণত এটা হয় শিশুকে দ্রুত বড়দের খাবার ও গরুর দুধে অভ্যস্ত করতে চাইলে। তবে দেখা গেছে, যেসব শিশুর ছোটবেলায় দুধ ও দুধজাত খাবারের প্রতি অ্যালার্জি ছিল, তাদের ৬০-৯০ শতাংশ শিশুই চার বছর বয়সে এসব খাবারে ধীরে ধীরে সহনীয় হয়ে পড়েছে।
ওষুধ অ্যালার্জি
সাধারণত এক থেকে তিন শতাংশ ক্ষেত্রে প্রায় সব ওষুধেই অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া হতে পারে। ওষুধজনিত অ্যালার্জি কখনোই উপেক্ষা করা যাবে না। দেখা গেছে, এ ধরনের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে প্রতি ১০ হাজারে একজনের মৃত্যু হয়। আমেরিকার বোস্টন কোলাবোরেটিভ ড্রাগ সার্ভিলেন্সের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, পেনিসিলিন ও তার সমগোত্রীয় ওষুধগুলো, সালফোনামাইডস, এনএসএআইডি এবং অ্যাসপিরিন-জাতীয় ওষুধে সবচেয়ে বেশি অ্যালার্জি দেখা দেয়। ব্যক্তিবিশেষে অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। যেমন : একজন বয়স্ক পুরুষের প্রতিক্রিয়ার হার কম। মহিলাদের প্রতিক্রিয়ার হার তুলনামূলক বেশি। অসুস্থ ব্যক্তিরও অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া বেশি হয়।
অ্যালার্জিজনিত সর্দি-কাশি
অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার কারণে অনেকের সর্দিকাশি হতে পারে। সর্দিকাশির সঙ্গে ঘন ঘন হাঁচি। নাক-চোখ চুলকানো, চোখ দিয়ে পানি পড়া প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। বংশগত কারণে এটা হতে পারে। সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে এ ধরনের অ্যালার্জির প্রবণতা বেশি থাকে। শীতকালে এর প্রকোপ বেড়ে যায়। অ্যালার্জির সঙ্গে অনেক সময় হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। সাধারণত বাতাসে ভেসে আসা ধূলিকণা কিংবা পরাগরেণু গ্রহণে এ ধরনের প্রকৃতিগত অ্যালার্জি হয়ে থাকে। জন্মের দুই বছর পর থেকে এ ধরনের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
ত্বকের অ্যালার্জি
অ্যালার্জেন বা উত্তেজক রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে এ ধরনের অ্যালার্জি হয়ে থাকে। এসব রোগীর চার-পঞ্চমাংশই প্রাথমিক এবং সহজাত উত্তেজক পদার্থ যেসব জৈব দ্রাবক, ধৌতকারক সাবান, ডিটারজেন্ট বা এ ধরনের সামগ্রীর কারণে অ্যালার্জির শিকার হন। যেসব লোক চামড়া, প্রসাধন সামগ্রী কিংবা ধাতববস্তু তৈরির কারখানায় কাজ করে তারাও এ ধরনের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হতে পারে।
অ্যাটোপিক অ্যালার্জি
এটা হলো জন্মগত অ্যালার্জি। যেসব শিশু এ ধরনের অ্যালার্জি নিয়ে জন্ম নেয়। দেখা গেছে, পরে তারা অ্যালার্জিজনিত সর্দি ও হাঁপানিতে ভোগে। সাধারণত দুই থেকে আট শতাংশ শিশু জন্মের পর দুই থেকে তিন মাসেই অ্যাটোপিক অ্যালার্জির শিকার হয় এবং শৈশবের তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত তাদের এ অবস্থায় কাটে। এরপর তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে। উপসর্গ হিসেবে তাদের পুরো শরীরে চুলকানি দেখা যায়। বালিশ বা বিছানার চাদরের ঘর্ষণে মুখে, গালে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে লালচে দাগ ও আঠালো ক্ষত দেখা যায়। অ্যালার্জিজনিত খাবার গ্রহণ করলে কিংবা সাবান বা শ্যাম্পু ব্যবহারে এ ধরনের অ্যালার্জি আবার দেখা দেয় ও সেটা প্রকট আকার ধারণ করে।
পোকামাকড়জনিত অ্যালার্জি
অনেকেরই মশা, পিঁপড়া প্রভৃতির কামড়ে ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কিন্তু এ ছাড়া কিছু কিছু পিঁপড়াগোত্রীয় প্রাণী, মৌমাছি, ভোমরা প্রভৃতির কারণে প্রাণঘাতী অ্যালার্জিজনিত অ্যানাফাইলেক্টিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। পোকামাকড়জনিত অ্যালার্জির কারণে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট জায়গা ফুলে যাওয়া, সর্দি, চোখের কনজাংটিভার প্রদাহ, এমনকি হাঁপানি দেখা দিতে পারে।
পরিবেশগত অ্যালার্জি
বিভিন্ন ফুলের পরাগরেণু অ্যালার্জির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। রংবৈচিত্র্যহীন ফুলগুলোর পরাগরেণু হালকা থাকে। এগুলো সাধারণত বাতাসের মাধ্যমে পরাগায়ন ঘটায়। বৈচিত্র্যপূর্ণ রঙিন ফুলগুলো পোকামাকড় ও পাখির মাধ্যমে পরাগায়ন ঘটায় এবং এদের পরাগরেণু অপেক্ষাকৃত ভারি ও আঠালো ধরনের। এজন্য বাতাসজনিত পরাগরেণুগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে অ্যালার্জির সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সেখানে রেগ উইড নামক এক ধরনের গুল্ম বর্ষার সময় অ্যালার্জির প্রকোপ ঘটায়। আমাদের দেশে সরিষা ফুলের ভারি পরাগরেণু পোকামাকড়ের মাধ্যমে এ ধরনের সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে। এ ছাড়া পোকামাকড়ের মল, লোমশ প্রাণী যেমন কুকুর-বিড়ালের শরীরের ধুলো প্রভৃতি অ্যালার্জির পেছনে বিরাট ভূমিকা রাখে।
পেশাগত অ্যালার্জি
পেশাগত কারণে এ পর্যন্ত প্রায় ২০০টি বিভিন্ন প্রাকৃতিক অ্যালার্জিক বস্তুর সন্ধান পাওয়া গেছে। এসবের মধ্যে রয়েছে প্লাটিনামের এক ধরনের জটিল লবণ আইসো সায়ানাইটিস, অ্যাপোক্সি রেসিন, কলোফনির ধোঁয়া, প্রোটিনধ্বংসী এনজাইম, রসায়নাগারের জন্তুর মলমূত্র, শস্যের ধুলো, প্রাকৃতিক আটা প্রভৃতি। এ ধরনের অ্যালার্জিক পদার্থ কর্মক্ষেত্রে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ ঘটায়। যেসব কুলি-মজুর জাহাজের মাল খালাস করে, তারা সাধারণত পেডিকিউলয়েডস ভেন্ট্রিকোসাস নামক এক ধরনের উঁকুনের শিকার হয়। এটি থেকে ত্বকের অ্যালার্জি দেখা দেয়।
দেশজুড়ে সকল বিভাগের অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে। Doctorola.com বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন ও কল সেন্টার ভিত্তিক ডাক্তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভিস।
m.ntvbd.com/health/107999/আপনার-কোন-ধরনের-অ্যালার্জি-হয়

নাক দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হলে দ্রুত কী করবেন?

অনেক সময় হঠাৎ নাক দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হয়। তখন দ্রুত কী করবেন? এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৬৪৮তম পর্বে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ডা. মো. নাজমুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে নাক, কান, গলা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
প্রশ্ন : হঠাৎ করে নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হলে আতঙ্কিত হওয়ার মতো বিষয় ঘটে। নাক দিয়ে হঠাৎ রক্ত পড়তে থাকলে কী করতে হবে?

উত্তর : নাক দিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করলে ভীষণ রকম আতঙ্ক শুরু হয়। নাক দিয়ে ঝড় ঝড় করে রক্ত পড়ছে, সাদা কাপড় লাল হয়ে যাচ্ছে। আশপাশে যারা থাকে, এরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আমি বলব, এখানে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। খুব সাধারণভাবে আমরা নাককে যদি একটু চেপে ধরি, নাক চেপে ধরে মাথাকে একটু সামনের দিকে নিচু করে রেখে, একটি শান্ত নীরব ঘরে যদি রোগীকে সরিয়ে নিয়ে যাই, আশপাশটা একটু খোলামেলা করে রাখি, লোকজনের ভিড়টা কমিয়ে দেই, তাকে আমরা আশ্বস্ত করতে থাকি, ‘তোমার ভয় পেয়ে যাওয়ার কিছু নেই’- তাহলে ভালো হয়। নাক চেপে রোগীকে ধরে রাখতে পারেন।
অন্তত মিনিট দশেক চেপে ধরে রাখতে হবে। এর মধ্যে যেটা করতে হবে একজন ভালো ফিজিশিয়ান যদি থাকে বা অন্য কেউ যার ন্যূনতম মেডিক্যাল জ্ঞান আছে তারা দেখলে ভালো হয়। পালস একটু ধরে দেখার চেষ্টা করলেন, রোগী ঘামছে কি না, শকে চল যাচ্ছে কি না- এগুলো দেখতে হবে। এই রকম কোনো পরিস্থিতি যদি না হয়, তাহলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঘরে বসে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দেওয়া সম্ভব।
কিন্তু এমন যদি হয় যে শিরার গতি খুব দ্রুত হয়ে গেছে, ভলিয়্যুমটা কম আসছে, ঘাম হচ্ছে, রক্তচাপ কমে যাচ্ছে, সেসব ক্ষেত্রে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ হচ্ছে সঠিক জায়গা। অবশ্যই নাক কান গলার একটি ব্যবস্থা আছে। এই রকম জায়গায় দিতে হবে। ১০ মিনিট নাক চেপে রাখার পর ছেড়ে দিয়ে দেখতে হবে রক্তক্ষরণ হচ্ছে কি না। যদি থেমে যায় তাহলে ভালো। এর মধ্যে রোগীর কাছ থেকে ইতিহাসটা শুনতে হবে। তার আগে কখনো হয়েছে কি না, এবারই প্রথম হলো কি না, কতক্ষণ আগে শুরু হলো, যেখানে হলো সেখানের আশপাশটা কেমন ছিল, সব কিছু জেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
দেশজুড়ে সকল বিভাগের অভিজ্ঞ ডাক্তারদের খোঁজ পেতে ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ভিজিট করুন www.doctorola.com অথবা কল করুন 16484 নম্বরে। Doctorola.com বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন ও কল সেন্টার ভিত্তিক ডাক্তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভিস।

Friday, February 24, 2017

দুধ কি প্রতিদিন খাবেন?

‘দুধ না খেলে হবে না ভালো ছেলে’। মায়ের মুখে শোনা কথাটাই যখন গান হয়ে যায় তখন আর বিষয়টিকে হেলফেলা করা যায় না। বাস্তবিকই দুধে রয়েছে এত প্রয়োজনীয় উপাদান যে পুষ্টিবিদরা বলছেন, দুধকে কখনও ‘না’ বলবেন না।
❏ ‌অনেকেই ‘খারাপ খেতে’ বলে দুধ পছন্দ করেন না। তবে পরীক্ষায় প্রমাণিত দুধের মতো পুষ্টিকর পানীয় আর নেই। শুধু শিশুদের নয়, প্রাপ্ত বয়স্কদেরও দুধ খাওয়া দরকার।
❏ ‌হাড় গঠনের অন্যতম উপাদান ক্যালসিয়াম। সেই ক্যালসিয়ামে ভরপুর দুধ। যারা শিশু বয়সে দুধ খান বয়স কালেও তাদের হাড় ভালো থাকে। দুধে রয়েছে ভিটামিন ডি। ক্যালসিয়াম শুষে নিয়ে হাড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
❏ দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে পারে দুধ। কারণ এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম। শিশুদের দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকে দুধ খেলে। কোলা জাতীয় খাবার খাওয়ার থেকে পানীয় হিসেবে দুধ খান। লালায় থাকা রোগ প্রতিরোধী জীবাণু ভালো থাকবে।
❏ ওজন কমাতেও দুধের জড়ি মেলা ভার। দেখা গেছে, এক গ্লাস দুধে রয়েছে পুরো খাবারের মতোই পুষ্টি। তবে ক্যালরি অর্ধেক।
❏ শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখে দুধ। অন্যান্য শক্তিবর্ধক পানীয়ের থেকে দুধ তাই আলাদা।
❏ দুধে যদি কারো অ্যালার্জি না থাকে তবে কোষ্টকাঠিন্য হলে দুধ খান। উপকার পাবেন।
❏ শরীরে ধকল গেছে বুঝলে দুধ খান। এতে রয়েছে ধকল কাটানোর উপযোগী ভিটামিন এবং মিনারেল। রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধ ধকল কাটানোর পক্ষে যথেষ্ট।
m.dailynayadiganta.com/?/detail/news/178388

Thursday, February 23, 2017

শরীরের যে জায়গাগুলোতে ক্যানসার হতে পারে

ক্যানসার সম্পর্কে আলাদা করে বলার কিছু নেই। এটি এমন এক মারণ রোগ যার প্রভাব আজ সারা পৃথিবী জুড়ে। এর থেকে বাঁচার হাজারো চেষ্টা করা সত্ত্বেও বহু সময় দেখা গিয়েছে এর সঙ্গে পেরে ওঠা যায়নি।নানা কারণে ক্য়ানসার হতে পারে। ঠিক কোন কারণে এই কর্কট রোগ শরীরে বাসা বাঁধে তার কোনও নির্দিষ্ট কারণ এখনও বের করতে পারেননি গবেষকরা। তবে আমাদের খাওয়া-দাওয়া, জীবনযাত্রা এরকম নানা বিষয় ক্যানসারের কারণ হতে পারে।
শরীরের নানা জায়গায় ক্যানসারের বিষ ছড়াতে পারে। ফুসফুস, গলা, ইউটেরাস, ব্রেস্ট, হাড়, কিডনি, মস্তিষ্ক, ত্বক ইত্যাদি নানা জায়গায় ক্যানসার হতে পারে। এই জায়গাগুলি ছাড়াও আরও অনেক অদ্ভুত জায়গা রয়েছে যেখানে ক্যানসারের বিষ ছড়াতে পারে। নিচের স্লাইডে দেখে নিন শরীরের কোন কোন জায়গায় এই কর্কট রোগ হতে পারে।
চোখের পাতা : ত্বকে ক্যানসারের মধ্যে ৫ থেকে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে তা হয় চোখের পাতার মধ্যে। এটি চট করে আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। ফলে চোখের কোনও সমস্যা হলে ঝুঁকি না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মুখের ভিতরে : সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হন মুখের ক্যানসারে। আর এর মধ্যে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ মানুষের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কারণ গুটখা বা তামাকজাত পণ্য ব্যবহার।
নিতম্ভ : নিতম্ভের মাঝে পায়ুছিদ্রের কাছে কোনওরকম অসঙ্গতি লক্ষ্য করলে সাবধান। এখানেও ক্যানসার থাবা বসাতে পারে।
পায়ের পাতা: পায়ের আঙুলের মাঝে কোনও কাটা বা ঘা হলে তা যদি দীর্ঘদিন না সারে তাহলে সাবধান। সেখানে ক্য়ানসার হতে পারে।
পায়ের নিচে : পায়ের পাতার নিচে গোড়ালিতে ক্য়ানসার রোগ হতে পারে।
নখের নিচে : নখের রঙ পাল্টে যাওয়া বা অন্য কোনওরকম অস্বস্তি যদি নখে লক্ষ্য করেন তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
কানের পিছনে: কানের পিছনের অংশও ক্যানসারের থাবার বাইরে নয়।
হাতের পাতা : হাতের পাতাতেও ক্য়ানসার বাসা বাঁধতে পারে। ফলে সাবধান থাকবেন। কোনও বেচাল লক্ষ্য করলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
ঠোঁট : জানলে আশ্চর্য হবেন, কর্কট রোগের হাত থেকে রেহাই পায় না ঠোঁটও। খুব কম হলেও এখানেও ক্যানসার হতে পারে।
যৌনাঙ্গ: যৌনাঙ্গে ক্যানসার হলে তা ধরা পড়তে অনেক দেরি হয়ে যায়। ফলে সুস্থ থাকতে এই জায়গাটিকে পরিচ্ছন্ন রাখা বিশেষ জরুরি।

মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধে ঘরোয়া ৪ উপায়


দাঁত এবং মাড়ির যেসব সমস্যা হয়ে থাকে এর মধ্যে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া অন্যতম। সাধারণত দাঁত ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে অল্প রক্ত পড়ে থাকে। 

কিন্তু অনেক মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে শক্ত খাবার খাওয়ার সময়ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেয়া উচিত। কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যার মাধ্যমে সাময়িকভাবে দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধ করা সম্ভব।
অ্যালোভেরা জেল
প্রতিরাতে মাড়িতে অ্যালোভেরা জেল মাসাজ করে লাগানো যেতে পারে।এটি মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করবে।

গ্রিন টি
মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করতে গ্রিণ টি বেশ কার্যকর। গ্রিন টি দিয়ে কিছুক্ষণ কুলকুচি করুন। এটি মাড়ির জীবাণু ধ্বংস করে এবং দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ করে দেয়।
লবঙ্গের তেল
লবঙ্গের তেল মাড়ির ইনফ্লামেশন রোধ করে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। একটুখানি লবঙ্গের তেল নিয়ে মাড়িতে ঘষুন। অথবা এক বা দুটি লবঙ্গ চিবাতে পারেন। এটি আপনার মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করে দিবে।
লবণ পানি
কিছু গরম পানি নিন, এর সঙ্গে অল্প কিছু লবণ মিশান। এবার এই লবণ পানি দিয়ে দিনে তিনবার কুলকুচি করুন। খুব সহজ এবং কার্যকরী একটি ঘরোয়া পদ্ধতি এটি।
নিয়মিত কাঁচা সবজি খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। ফল এবং শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল এবং ক্যালোরি থাকে কম। এটা রক্ত চলাচল সচল রেখে মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করে দেয়।
ইত্তেফাক/সালেহ্

ব্যথা উপশমে ১০ খাবার

শরীরের যেকোনো অংশে হঠাৎ আঘাত, মচকানো, টান লাগা এবং পোড়ার কারণে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এ সময় সঠিক ওষুধ সেব করলে এ সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া যায়। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা যেমন বাতের ব্যথা, মায়গ্রেইনসের ব্যথা অনুভব করলেও কিন্তু তা নিরাময় করা সম্ভব। এমন কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত খেলে বাড়িতে বসেই এসব ব্যথা প্রতিরোধ করা কোনো ব্যাপারই না।
দই
এই খাবারটিতে মাইক্রো- ফ্লোরা নামে একটি উপাদান আছে যা প্রদাহ এবং বদহজমের কারণে সৃষ্ট গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
তিল বীজ
তিল বীজও ব্যথা সারাতে ভালো কাজ করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা মাথা ব্যথা ও মাংস পেশী ব্যথা অনায়াসে দূর করতে সাহায্য করে।
হলুদ
হলুদে কারকুমিন নামক এক প্রকার প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে । এটার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রাকৃতিকভাবে এটা প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। আক্রান্ত স্থানে লাগানোর পর খুব দ্রুত এটা ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া কেউ চাইলে এটাকে ডায়েটেও যুক্ত করতে পারে।
আদা
আদা ব্যথা উপশমে করতে কার্যকরী। আদা কুচি পেট ব্যথা ও বমি বমি ভাব দূর করে। আবার বাতের ব্যথায় আদা কেটে মধু মিশিয়ে রোগীকে খেতে দিলেও উপকার পাওয়া যায়। আদাকে তিলের তেলে গরম করে ঐ তেল গাঁটে বা জোড়ে মালিশ করলেও উপকার পাওয়া যায়।
পেঁপে
পেঁপেতে এক ধরণের এনজাইম রয়েছে যেটা প্রদাহ দূরীকরণে সাহায্য করে। এছাড়া সার্জারির ব্যথা কমাতেও পেঁপে জুস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন শরীরের অন্য ব্যথা কমাতেও কাজ করে।
চেরি
চেরি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এটি ব্যথা সারাতে সবচেয়ে উপকারী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। জ্বালাপোড়া থেকে সৃষ্টি ব্যথা ডার্ক চেরি খেলে দূর হয় । তবে শুধু চেরিই নয়; ব্যথা প্রতিরোধকারক হিসেবে অন্যান্য কালো ফলও উপকারী । গ্যাস্টিকের ব্যথা ও অন্যান্য জ্বালা পোড়ার প্রদাহ থেকে সৃষ্ট ব্যথা ২০টি চেরি ফল খেলেই অনেকটা কমে যাবে।
লাল মরিচ
লাল মরিচে ‘ক্যাপসাইসিন’ নামক একটি পদার্থ রয়েছে যেটির ব্যথা দূর করতে খুবই কার্যকর।
অ্যালোভেরা জুস
অ্যালোভেরা জেল পোড়ার ব্যথা উপশমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এর জুসও আলসারের ব্যথা উপশমে কার্যকরী। দিনে দুইবার অ্যালোভেরা পানে শুধুমাত্র এর উপসর্গই উপশম করে না; নিরাময়ের কাজও দ্রুত শেষ করে।
স্বাদু পানির মাছ
ব্যথা দূরীকরণে এ মাছগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ধরনের মাছের মধ্যে হেরিং, ম্যাকরল , টুনা, স্যামন এবং সার্ডিন অন্যতম। এ মাছ ঘাড়ের ব্যথা উপশম ও পেশীর জয়েন্টকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এসব মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে; যা হার্ট ফাংশনের উন্নতি করে।
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতায় মেনথল নামে একটি উপাদান আছে যা ধনুষ্টংকার রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এর তেল পায়ের কব্জি ও গোড়ালীতে মালিশে ব্যথা উপশম হয়। এমনকি মাথা ব্যথায় পুদিনা পাতা কপালে ঘষলেও ব্যথা উপশম হয়।
ইত্তেফাক