Latest Post

কওমীর স্বীকৃতি ও দেবিমূর্তি বিরোধী বক্তব্য আর রাজনৈতিক স্বার্থের ভেল্কিবাজি: মুহাম্মাদ মামুনুল হক

ঢাকা ১৩ই এপ্রিল'১৭ আজকের প্রথম আলোর প্রথম পাতায় প্রধান শিরোনাম দেখে মনে পড়ছে দুই হাজার ছয়ের কথা ৷ যখন হযরত শায়খুল হাদীস রহঃএর দলের...

Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts
Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts

Tuesday, April 11, 2017

কওমী সনদের স্বীকৃতি: যেমন চেয়েছিলেন শায়খুল হাদীস রাহিমাহুল্লাহ


মুহাম্মাদ মামুনুল হক:

কওমী মাদরাসা সনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়টি বর্তমানে বহুল আলোচিত ৷ অন এবং অফ উভয় লাইনেই বিতর্ক তুঙ্গে উঠছে এবিষয়ক নানা প্রসঙ্গ নিয়ে ৷ আমার মরহুম ওয়ালেদ হযরত শায়খুল হাদীস রাহিমাহুল্লাহর নাম ও তাঁর স্বীকৃতির আন্দোলনের কথাও উঠে আসছে অনেকের আলোচনায় ৷ নিঃসন্দেহে কওমীর স্বীকৃতির সঙ্গে শায়খুল হাদীস (রহঃ) এর নাম জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে ৷ সুতরাং তাঁর নাম এ প্রসঙ্গে আলোচিত হওয়া খুবই স্বাভাবিক ৷ তবে অবশ্যই তা হওয়া চাই বাস্তবতার আলোকে ৷
হযরত শায়খুল হাদীস রাহিমাহুল্লাহর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে কওমী সনদের স্বীকৃতির দাবিতে রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক নানামুখী তৎপরতার পাশাপাশি বৃহত দুটি আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে ৷ ২০০৫সালে ছাত্র কনভেনশন শিরোনামে ছাত্রআন্দোলন এবং ২০০৬এ মহা-সমাবেশ ও মুক্তাঙ্গণে পাঁচ দিনের অবস্থান কর্মসূচী ৷ আল্লাহর রহমতে দুটি আন্দোলনেরই একজন সংগঠক হিসাবে বিশেষ ভূমিকা পালনের সুযোগ আমার হয়েছে ৷ আর সেই সুবাদে সম্যক অবগত রয়েছি এর প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে ৷
পল্টন ময়দানের ছাত্র কনভেনশনে হযরত শায়খুল হাদীস রহাহিমাহুল্লাহ খুবই আবেগঘন বক্তব্য রেখেছিলেন ৷ সে বক্তব্যের মূল কথা ছিল-
"জোট সরকার যদি মনে করে তাদের ক্ষমতায় আসার পিছনে আমার বিন্দুমাত্র ভূমিকা আছে তাহলে তারা যেন আমাকে আমার ছাত্রজনতার সম্মুখে লজ্জিত না করে এই শিক্ষার স্বীকৃতির ব্যবস্থা করে" ৷
আমরা জানতাম, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া ব্যক্তিগতভাবেও হযরত শায়খুলহাদীসকে বিশেষ সন্মান ও সমীহ করতেন ৷ সরকার ও প্রশাসনে তাঁর বিশেষ এক মর্যাদা ছিল ৷ পল্টনের ঐ বক্তব্যে সরকারের মধ্যে আলোড়ন তৈরি হয় এবং কওমী স্বীকৃতির দাবি আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে মর্মে আভাস আসতে থাকে ৷ এমন প্রেক্ষিতে প্রথম বারের মত আলোচনার বিষয় হয়ে দাড়ায় "স্বীকৃতি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে"? ৷ এ পর্যায়ে বলে রাখা ভালো, তখনো বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের কিছু বুযুর্গ ওলামায়ে কেরাম কওমী স্বীকৃতির ঘোর বিরোধী ছিলেন এবং অহরহ স্বীকৃতির বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করতেন ৷
কওমী শিক্ষার স্বীকৃতির সম্ভাবনা দেখা দেয়ায় তা বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা শুরু হয় ৷ এপর্যায়ে বেফাকুল মাদারিসের উদ্যোগ ও ভূমিকা ছিল একক ও অনন্য উচ্চতায় ৷ এমন সময় শুরু হয় দুর্যোগের ঘনঘটা ৷ বাতাসে ভাসতে শুরু করে একটি নাম ৷ ইসলামী ব্যংক বাংলাদেশের শরীয়া কাউন্সিলের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল "ম" অদ্যাক্ষরের জামাত ঘরানার এক ব্যক্তি তিনি ৷ তার সহায়তা ও তার পেছনের মদদদাতাদের আনুকুল্যে বেফাকুল মাদারিসের প্রতিদ্বন্দি হিসাবে কৃত্রিম উপায়ে তৈরি হয় আরো কিছু পক্ষ ৷ উত্তরবঙ্গের মিযান জামাতের পরীক্ষার আয়োজক "তানযীমুল মাদারিস" নামক আঞ্চলিক বোর্ডটি রাতারাতি দাওরা পর্যন্ত উন্নীত হয়ে যায় ৷ স্মর্তব্য যে, আমি ১৯৯৬ থেকে ২০০০সাল পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের শীর্ষস্থানীয় এক মাদরাসায় শিক্ষকতার সুবাদে তানযীমুল মাদারিস বোর্ডের হাকীকতেহাল সম্পর্কে সম্যক অবগত ৷ এহেন স্ফীত বোর্ড তানযীমের নেতৃত্বে অন্যান্য বিক্ষিপ্ত বোর্ডগুলোকে একত্রিত করে দাড় করানো হয় বেফাকের বিকল্প ও প্রতিদ্বন্দি হিসাবে ৷ অথচ তখনো উত্তরবঙ্গের তানযীম আর গওহরডাঙ্গার বোর্ড বেফাকের আওতাধীন বোর্ড হিসাবে কর্মরত এবং দাওরায়ে হাদীসের পরীক্ষা বেফাকের অধীনেই চলমান ছিল ৷ আর পটিয়ার ইত্তেহাদ বোর্ড তো বেফাকের জন্মের পরপরই এর অধীন ছিল ও দাওরার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সুদীর্ঘকাল ৷
বেফাকুল মাদারিসের জন্মই হয়েছিল অন্যান্য বোর্ডগুলোর সহায়তায় একমাত্র জাতীয় বোর্ড হিসাবে ৷ দীর্ঘকাল স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকার পর হাটহাজারী ও লালবাগ মাদরাসার মত বড় বড় মাদরাসাগুলোও যখন বেফাকে যোগ দিল তখন তো বেফাকের সার্বজনীনতা অারো বেড়ে গেল ৷ বহু আঞ্চলিক বোর্ড বেফাকের সাথে সমন্বিত হয়ে বাংলাদেশ ব্যপি মাদারিসে কওমিয়ার একক প্লাটফর্ম গড়ে ওঠার অপার সম্ভাবনা দোরগোরায় ছিল ৷ স্বীকৃতির প্রসঙ্গ বিষয়টিকে আরো তরান্বিত করছিল ৷ রাজনৈতিকভাবে শতধা বিভক্ত বাংলাদেশের ইসলামী অঙ্গণ অন্তত মাদারিস কেন্দ্রিক একটি মযবুত ঐক্যের ভিত তৈরির দ্বারপ্রান্তে ছিল ৷ এমন সময় সর্বনাশা ষড়য়ন্ত্রের অণলে কপাল পুড়ল ইসলামী জনতার ৷ স্বীকৃতির লোভ দেখিয়ে ঐক্যবদ্ধ বেফাক থেকে ভাগিয়ে নেয়া হল আত্নপ্রবঞ্চিত কিছু সরলপ্রাণ বুযুর্গকে ৷
হযরত শায়খুল হাদীস রাহিমাহুল্লাহকে বে-চায়ন, বে-কারার করে তুলল অপার সম্ভাবনার এহেন মৃত্যুশংকা আর কওমীর শত্রুদের এই ছিনিমিনি খেলবার তামাশা ৷ তিনি অনুভব করলেন, স্বীকৃতি বাস্তবায়নের আগেই যদি শুরু হয় এমন নোংরা প্রতিযোগিতা তাহলে পরবর্তিতে পরিণাম কী হতে পারে! বিশেষ করে যদি দুর্বল অবকাঠামোর উপর সরকারী স্বীকৃতি বাস্তবায়িত হয় তাহলে সরকার নাকে দড়ি বেধে ঘোরাবে কওমী মহলকে ৷ তাই তিনি অনৈক্যের ঘোর বিরোধিতা আর ঐক্যবদ্ধভাবে স্বীকৃতি আদায়ের পথে সংগ্রামে নিবেদিত রইলেন ৷ এমন প্রেক্ষিত থেকেই পালিত হয়েছিল শায়খুল হাদীস রাহিমাহুল্লাহর ঐতিহাসিক অবস্থান কর্মসূচী ৷ পরিকল্পনা ছিল শায়খুল হাদীসের এই কর্মসূচীতে হাটহাজারীর হযরতও সংহতি প্রকাশ করবেন ৷ তাঁকেও এখানে নিয়ে আসা হবে ৷ কিন্তু রাজনীতির দৌড়ে শায়খুল হাদীসের প্রতিদ্বন্দিরা বাগড়া বাধিয়ে বাঞ্চাল করে দিল সেই পরিকল্পনা ৷
সে যাই হোক, শায়খুল হাদীস রাহিমাহুল্লাহর এ কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ছিল, বিচ্ছিন্নভাবে নয় বরং ঐক্যবদ্ধভাবে স্বীকৃতি আদায় করা ৷
আজও আমাদের বক্তব্য পরিস্কার ৷ আমরা স্বীকৃতি চাই ঐক্যবদ্ধভাবে ৷ তার সহজ উপায় তো এটাই যে, বেফাকের বাইরের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদেরকে বেফাকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক ৷ যেমনটা মরহুম খতীব উবায়দুল হক রাহিমাহুল্লাহর উদ্যোগে হয়েছিল ৷ গওহরডাঙ্গার মুফতী রূহুল আমীন হাফিজাহুল্লাহকে মহাসচিব আর অন্য বোর্ডগুলোর প্রতিনিধি নিয়োগ করে সমন্বয় করেছিলেন তিনি ৷ নিজেরা ঘরে বসে আগে প্লাটফর্ম মজবুত করুন ৷ তারপর সরকারের সাথে দেনদরবার শুরু করুন ৷ যদি সম্মিলিতভাবে বেফাক ছাড়া অন্য কোনো নামে অন্য কোনোভাবে কাজ করা যায় তাতেও আমাদের আপত্তি নেই ৷ কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিবিশেষের ব্যপারে অভিযোগ অনাস্থা থাকতেই পারে, কিন্তু তাই বলে বিচ্ছিন্নতাকে অন্তত এই জায়গাটায় মেনে নেয়া যায় না ৷ যদি দুর্ভাগা বাংলাদেশী মুসলমানদের কপালে শতভাগ ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম নাই থাকে তাহলে মন্দের ভালো হিসাবে অন্তত আশিভাগ ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম নিজস্ব বুনিয়াদের উপর কায়েম বাংলাদেশে কওমী মাদরাসার একমাত্র জাতীয় বোর্ড বেফাকুল মাদারিসই হোক আস্থার শেষ ঠিকানা ৷ এটাই ছিল হযরত শায়খুল হাদীস রাহিমাহুল্লাহর চেতনা ৷
এখানে অবান্তরভাবে আওয়ামীলীগ বিএনপির প্রশ্ন উত্থাপনকে পানি ঘোলা করার আরেকটি অপপ্রয়াস বলে মনে হয় ৷ যে কোনো সরকারের সাথে সুসম্পর্ক রাখা যেতেই পারে ৷ লেয়াঁজো করলেও ভালো কথা ৷ কিন্তু সরকারের এজেণ্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হতে চাইলে বা হয়ে গেলে সেটা মেনে নেয়ার কোনো সুযোগ নেই ৷ অনুকম্পা ভোগ করে কখনো অধিকার আদায় করা যায় না ৷

Monday, April 10, 2017

কওমী স্বীকৃতি: শংকা ও সম্ভাবনা-মুহাম্মাদ মামুনুল হক


কওমী মাদরাসা শিক্ষা সনদের সরকারী স্বীকৃতি আবার লাইমলাইটে ৷ ১১ই এপ্রিলের ডেটলাইনকে কেন্দ্র করে অজানা শংকা-সম্ভাবনার দোলাচলে দুলছে কওমী মহল ৷ এই বিষয়ে পূর্বেকার প্রতিটি আলোচিত পর্বে আমি ও আমরা স্বোচ্চার ছিলাম আলহামদুলিল্লাহ ৷ বর্তমান প্রেক্ষিতেও আমরা বিষয়টিতে নজর রাখছি ৷
কওমী স্বীকৃতির ইস্যুতে আমাদের দুটি বক্তব্য দ্ব্যার্থহীন ছিল-
এক, আমরা কওমীর স্বীকৃতি চাই ৷ এ বিষয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ ছিল না, এখনও নেই ৷
দুই, স্বীকৃতির নামে সরকারী খবরদারীর কোনো প্রক্রিয়ার সাথে আপোষ চলবে না ৷ স্বীকৃতি কোনোভাবেই যেন স্বকীয়তা-স্বাধীনতার মূল্যে না হয় ৷
শেষোক্ত সরকারী নিয়ন্ত্রণমুক্ত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়াই ছিল সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৷ এটা নিয়েই ছিল আমাদের তর্ক-বিতর্ক ৷ পক্ষ-বিপক্ষের ইজতেহাদী লড়াই ৷ আমরা বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষে আমাদের পক্ষ থেকে দুটি পয়েন্ট এক্ষেত্রে চিহ্নিত করেছিলাম-
ক, কওমী মাদরাসাগুলো নিয়ন্ত্রণকারী, পরীক্ষা গ্রহনকারী কর্তৃপক্ষ সরকার কর্তৃক গঠিত হতে পারবে না ৷ সেটা গঠন করবে এককভাবে ওলামায়ে কেরাম ৷ সরকারের এতে কোনো ভূমিকা বা অংশ থাকতে পারবে না ৷
খ, কর্তৃপক্ষ বা বোর্ড যে নামেই হোক, তার নেতৃত্ব নির্বাচনে সরকারের কোনোরূপ নিয়ন্ত্রণ বা ক্ষমতা তো দূরে থাক, সংশ্লিষ্টতাও থাকতে পারবে না ৷
আমরা আশ্বাসবাণী শুনছি-
আমাদের উপরোক্ত শর্ত রক্ষা করেই স্বীকৃতির ঘোষনা ও তা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে দেওয়া হয়েছে ৷ সে মতেই সব আয়োজন হচ্ছে ৷
এখন আমাদের বক্তব্য হচ্ছে-
আমরা যেভাবে শুনছি যদি সেভাবেই ঘোষনা আসে এবং বাস্তবায়িত হয়, তাহলে আমরা সর্বোতভাবে তার পক্ষে আছি ৷
আল্লাহ না করুন, যদি এর কোনোরূপ ব্যত্যয় ঘটে, তাহলে মুহতারাম হেফাজত মহাসচিবের যুদ্ধের ঘোষনা বহাল থাকবে ৷ আমরা স্বীকৃতির আওতায় যাবো না ৷ বরং তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে যত দূর সম্ভব সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ!

Sunday, April 2, 2017

বেফাক পরিচিতি

দেশে প্রচলিত কওমী মাদরাসাসমূহের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা বোর্ড হচ্ছে বেফাকুল
মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড), সংক্ষেপে বেফাক। ১৯৭৮ সনের এপ্রিল মাসে ৩ দিনব্যাপী মহাসম্মেলনের আয়োজন করে এবং দেশের ছোট বড় সর্বস্তরের কওমী মাদরাসা সমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, পূর্ব প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক বোর্ড সমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং দেশের উলামা-মাশাইখগণের উপস্থিতিতে ও সকলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে একমাত্র ও একক প্রতিষ্ঠান ও বোর্ড হিসেবে বেফাক প্রতিষ্ঠা করা হয়।
আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের চিন্তাধারা এবং দারুল উলূম দেওবন্দের অনুসরণীয় পথই হবে
কওমী মাদরাসাসমূহের এবং বেফাক-এর একমাত্র পথ ও আদর্শ।
০১. কওমী মাদরাসা সমূহকে এক প্লাটফরমে ঐক্যবদ্ধ করা। ০২. তালীম ও তারবিয়াতের মান উন্নয়ন। ০৩. সমাজের দ্বীনী চাহিদা পূরণ। ০৪. ইসলামের হিফাযত, প্রচার, প্রসার, দাওয়াত ও তাবলীগ এবং ইসলামের উপর আবর্তিত যে কোন হামলার সুদৃঢ় ও প্রামাণ্য জবাব দান। ০৫. সমাজে উলামায়ে
কিরামের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান প্রতিষ্ঠা। ০৬. সমাজে ইসলাম প্রতিষ্ঠার সমূহ কর্মসূচী গ্রহণ। ০৭. মাদরাসা ফারেগীনদের জন্য তাখাছ্ছুছ্ কোর্স ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাকরণ। ০৮. ইসলামের মূল ঘাটি মসজিদ সমূহের মান উন্নয়ন এবং পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ নির্মাণ ও মসজিদকেন্দ্রিক মক্তব প্রতিষ্ঠা ও এর মান উন্নয়ন। ০৯. জনগণের ধর্মীয় চাহিদা পূরণ করার জন্য বহুমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ। ১০. দ্বীনের হিফাযতের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় কর্মসূচী গ্রহণ। ১১. আধুনিক সমস্যাবলীর ইসলামী সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণ।
০১. শিক্ষকদেরকে উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দান। ০২. শ্রেণী শিক্ষার বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা গ্রহণ এবং সনদ ও বৃত্তি দান। ০৩. নেছাবে তা’লীমের সংস্কার ও নিয়ন্ত্রণ। ০৪. পাঠদান পদ্ধতির মান উন্নয়ন। ০৫. ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে পাঠ্যপুস্তক এবং দ্বীন প্রচারমূলক ও দ্বীন বিরোধী ষড়যন্ত্রের জবাব দান মূলক বই পুস্তক প্রণয়ন ও প্রকাশ। ০৬. মাদরাসা পরিদর্শন। ০৭. মাদরাসার হিসাব নিরীক্ষণ ও হিসাব রক্ষকদের প্রশিক্ষণ দান। ০৮. নিরক্ষরতা ও মূর্খতা দূরীকরণ কল্পে মসজিদকেন্দ্রিক মকতব শিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষার ব্যবস্থাকরণ। ০৯. আধুনিক সমস্যাবলীর ইসলামী সমাধান পেশকল্পে দারুল ইফতা প্রতিষ্ঠা এবং ফতোয়া দানের ব্যবস্থাকরণ। ১০. প্রশিক্ষণমূলক ও বিশেষায়িত কোর্স চালু করে ইসলামের প্রতিটি বিষয়ে দক্ষ, বিশেষজ্ঞ ও গবেষক তৈরি করা।

Saturday, February 25, 2017

গুরুত্বপূর্ণ ১০০ টি Translation! যা প্রায় পরীক্ষাতেই আসে।

০১. যার কোন গুণ নাই তার কপালে আগুন
= It is a pity, he is good for nothing.
০২. আপন গায়ে কুকুর রাজা।
= Every dog is a lion at home.
০৩. ডোল ভরা আশা আর কুলো ভরা ছাই।
= Extravagant hopes lead to complete disappointment.
০৪. নিজের পায়ে কুড়াল মারা ।
= To dig one’s own grave.
০৫. উঠন্ত মুলো পত্তনে চেনা যায় ।
= Morning shows the day.
০৬. উলুবনে মুক্তো ছড়ানো ।
= Pearls before swine.
০৭. উৎপাতের কড়ি চিৎপাতে যায়।
= Ill got, ill spent.
০৮. একবার না পারিলে দেখ শতবার ।
= If at first try you don’t succeed, try, try again!
০৯. কত হাতি গেল তল, মশা বলে কত জল ।
= Fools rush in where angels fear to tread.
১০. কম পানির মাছ বেশ পানিতে উঠলে ও মাছে বেশ লাফালাফি করে ।
= Being unnecessarily flashy is pointless
১১. কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা ।
= Using a thorn to remove a thorn.
১২. কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে ।
= To add insult to injury.
১৩. কানা গরুর ভিন্ন পথ ।
= The fool strays from the safe path.
১৪. কারও পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ ।
= One’s harvest month, is another’s complete devastation.
১৫. বিপদ কখনও একা আসে না।
= Misfortune never comes alon.
১৬. আয়ের অধিক ব্যয় করো না।
= Do not live above your means.
১৭. কিনতে পাগল বেচতে ছাগল
= Necessity never makes a bargain.
১৮. কুকুরের পেটে ঘি মজে না।
= Habit is the second nature.
১৯. কুমিরের সঙ্গে বিবাদ করে জলে বাস
= It is hard to sit at Rome and strike with the Pope.
২০. ঘষতে ঘষতে পাথরও ক্ষয় হয়।
= Constant dripping wears out the stone.
২১. গাইতে গাইতে গায়েন
= Practice makes a man perfect.
২২. ঘরে পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়
= A burnt child dreads the fire.
২৩. গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না
= A prophet is not honoured in his own country.
২৪. অধীনতা অপেক্ষা মৃত্যু শ্রেয়
= Even death is preferable to bondage.
২৫. সে হাড়ে হাড়ে দুষ্ট
= He is wicked to the backbone.
২৬. ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই
= Brothers will part.
২৭. ঘুঘু দেখেছ, ফাঁদ দেখ নি।
= You must not see things with half an eye.
২৮. চেনা বামুনের পৈতার দরকার হয় না।
= Good wine needs no bush.
২৯. চোখের আড়াল হলেই মনের আড়াল হয়।
= Out of sight, out of mind.
৩০. চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।
= To lock the stable when the mare is stolen.
৩১. চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী।
= The devil would not listen to the scriptures.
৩২. চোরে চোরে মাসতুত ভাই।
= Birds of a feather flock together.
৩৩. টাকায় টাকা আনে।
= Money begets money.
৩৪. ঠাকুর ঘরে কেরে, অামি কলা খাই না।
= A guilty mind is always suspicious.
৩৫. গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।
= To count one’s chickens before they are hatched.
৩৬. মরা হাতি লাখ টাকা।
= The very ruins of greatness are great.
৩৭. জলে কুমির ডাঙায় বাঘ।
= Between the devil and the deep sea.
৩৮. মশা মারতে কামান দাগা।
= To break a butterfly on a wheel.
৩৯. দুধ কলা দিয়ে কালসাপ পোষা।
= To cherish a serpent in one’s bossom.
৪০. এক মাঘে শীত যায় না
= One swallow does not make a summer.
৪১. এক হাতে তালি বাজে না
= It takes two to make a quarrel.
৪২. ওস্তাদের মার শেষ রাতে
= All’s well that ends well.
৪৩. কর্জ নাই, কষ্ট নাই
= Out of debt, out of danger.
৪৪. কত ধানে কত চাল বুঝবে
= you will know now what’s what.
৪৫. কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ পাকলে করে ট্যাশ ট্যাশ
= To strike the iron while it is hot.
৪৬. কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ
= What is sport to the cat is death to the rat.
৪৭. কান টানলে মাথা আসে
= Given the one, the other will follow.
৪৮. অতি চালাকের গলায় দড়ি
= Too much cunning over reaches itself.
৪৯. অতি লোভে তাতি নষ্ট
= Grasp all,lose all.
৫০. ভাবিয়া করিও কাজ
= Look before you leap
৫১. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
= Too many cooks spoil the broth
৫২. অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ
= Too much courtesy, too much craft.
৫৩. অভাবে স্বভাব নষ্ট
= Necessity knows no law
৫৪. অতি দর্পে হত লংকা।
= Pride goes before its fall.
৫৫. আপনি বাঁচলে বাপের নাম
= Self preservation is the first law of nature.
৫৬. অহিংসা পরম ধর্ম
= Non-violence is a supreme virtue
৫৭. অসারের তর্জন গর্জনই সার
= Empty vessels sound much.
৫৮. আয় বুঝে ব্যয় কর
= Cut your coat according to your cloth.
৫৯. আসলের চেয়ে সুদ মিষ্টি
= Interest is sweeter than principal.
৬০. যেমন কর্ম তেমন ফল।
= As you sow, so you reap.
৬১. সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।
= Honesty is the best policy.
৬২. সব ভাল তার শেষ ভাল যার।
= All’s well that ends well.
৬৩. দশের লার্ঠি একের বোঝা।
= Many a little makes a mickle.
৬৪. বিপদ কখনো একা আসে না।
= Misfortune never comes alone.
৬৫. নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল।
= Something is better than nothing.
৬৬. মানুষ মাত্রই ভুল করে।
= To err is human.
৬৭. সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়।
= A stitch in time save nine.
৬৮. নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা।
= A bad workman quarrels with his tools.
৬৯. উঠন্ত মুলো পত্তনেই চেনা যায়।
= Morning shows the day.
৭০. ভিক্ষার চাল কাঁড়া আকাঁড়া।
= Beggars must not be choosers.
৭১. ঢিলটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়।
= Tit for tat.
৭২. মন্ত্রের সাধন কিংব শরীর পতন।
= Do or die.
৭৩. বাপ কা বেট।
= Like father, like son.
৭৪. নানা মুনির না পথ।
= Many men, many minds.
৭৫ প্রয়োজনই আবিষ্কারের প্রসূতি।
= Necessity is the mother of invention.
৭৬. যত গর্জে তত বর্ষে না।
= Barking dogs seldom bite.
৭৭. যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।
= While there is life there is hope.
৭৮. এক মাঘে শীত যায় না।
= One swallow doesn’t make a summer.
৭৯. টাকায় টাকা আনে।
= Money begets money
৮০. চকচক করলেই সোনা হয় না।
= All that glitters is not gold.
৮১. জোর যার মুলুক তার।
= Might is right
৮২. ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।
= Where there is a will, there is a way.
৮৩. চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।
= Birds of the same feather flock together.
৮৪. গাছ তার ফলে পরিচয়।
= A tree is known by its fruits.
৮৫. চাচা আপন প্রাণ বাঁচা।
= Every one for himself.
৮৬. আয় বুঝে ব্যয় কর।
= Cut your coat according to your cloth.
৮৭. জ্ঞানই শক্তি।
= Knowledge is power.
৮৮. একতাই বল।
= Unity is strength.
৮৯. অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী।
= A little learning is a dangerous thing.
৯০. অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু।
= A friend in need is a friend indeed.
৯১. একতায় উত্থান, বিভেদে পতন।
= United we stand, divided we fail.
৯২. অপচয় করো না, অভাবও হবে না।
= Waste not, want not.
৯৩. অসারের তর্জন গর্জন স্যার।
= Empty vessel sounds much.
৯৪. আপন চরকায় তেল দাও।
= Oil your own machine.
৯৫. কষ্ট বিনা কেষ্ট মেলে না।
= No pains, no gains.
৯৬. কয়লা ধূলে ময়লা যায় না।
= Black will take no other hue.
৯৭. আপন ভাল তো জগত ভালো।
= To the pure all things are pure.
৯৮. উপদেশের চেয়ে দৃষ্টান্ত ভালো।
= Example is better than precept.
৯৯. এক হাতে তালি বাজে না।
= It takes two to make quarrel.
১০০. উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে।
= One doth the scathe, another hath the scorn.

ফেইসবুক id খোলার নিয়ম দেওয়া হলো। যাদের facebook id নেই তারা খুলে নিন।

যদিও প্রায় সবারই Facebook id
আছে।তার পরও যাদের নেই তাদের
জন্য Facebook id খোলা নিয়ম,ও ব্যাবহারের পদ্ধতি নিচে সংক্ষিপ্ত আকারে দিয়ে দিলাম। এখনি একটি Facebook id খুলে নিন।
প্রস্তুতি:-
1- ফেইসবুকে দেওয়ার জন্য আপনার পছন্দ মতো একটি ছবি মেরোরিতে রাখুন এবং সেটা কোথায় এবং কি নামে আছে স্বরন রাখুন।
2- ফেইসবুক খুলতে একটি সিমের নাম্বার দিতে হয়।এবং সেই নাম্বারেই যাবতীয় তথ্য আসে।
3- এবার প্রথমে Www.facebook.com এ যান।তার পর Sign up অথবা Create new account এ ক্লিক করুন। দেখবেন একটি ফরম পেইজ আসবে। সেটা নিম্নে উল্লেখিত
পদ্ধতিতে পূরন করুন।
মনি করি আপনি RM Shadin নামে একটি Facebook id খুলতে চান। তাহলে First Name বক্সে এ দিতে হবে Rm এবং Last Name বক্সে দিতে হবে Shadin । তাহলে নামটি হবে RM Shadin
2- Email or phone বক্সে আপনার সেই ফোন নাম্বারটি দিন যেটি দিয়ে আপনি Facebook
খুলতে চান।
3- Gender এর নিচে Select বক্সে ক্লিক করে আপনি ছেলে হলে Male এবং মেয়ে হলে Famale সিলেক্ট করে দিন।
4- Birthday এর নিচে তিনটি বক্স আছে, এগুলোতে আপনার জন্ম তারিখ দিতে হবে। প্রথমটাতে তারিখ পরের টাতে মাস দিন এবং শেষের টাতে সাল হবে।
5- New password এর বক্সে আপনার চয়েস মতো Password দিন।(Password অবশ্যই মনে রাখতে হবে)
6- এবার Sign up বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আরেকটি নতুন পেইজ আসবে।
বি:দ্র: এই পেইজে ভূল তথ্য দিলে কিংবে কোন বক্স ফাকা রাখলে কিন্তু পরের পেইজটি আসবে না।
7- এবার Confirm phone Number শিরোনামে একটি পেইজ আসবে। এবং Enter confirmation code এর
একটি বক্স আসবে।একটু অপেক্ষা করুন। আপনি প্রথম পেইজে যে মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে ছিলেন সেই
নাম্বারে ফেইসবুক থেকে একটা মেসেজ আসবে এবং তাতে কয়েকটা ডিজিটের একটা কোড পাবেন।সেই কোড টিই Enter confirmation code বক্সে লেখে Confirm এ ক্লিক করুন।
বি:দ্র: Nokia মোবাইল গুলোতে Browser মিনিমাইজ করা যায় না।তাই মেসেজটি পড়তে গেলে ব্রাউটারটি Exit করতে হবে।সমস্যা নেই কোড টি দেখে নিয়ে আবার
www.Facebook.com এ গেলেই হবে। ওখান থেকেই আসবে।
8- এখন কয়েক জনের ফেইসবুক আইডি আসবে তুমি যার যার সাথে Friendship করতে চাও তাদের ডানে Add বাটনে ক্লিক করো।{তাহলে তাদের কাছে তোমার Friend request চলে যাবে।তারা Confirm করলেই ফ্রেন্ড হয়ে যাবে।} এবার Done বা Skip বাটনে ক্লিক করুন।
এবার একটি Search পেইজ আসবে।Skip বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এবার আর একটি পেইজ আসবে। 1.File does not exist বক্সে ক্লিক করে মেমরি থেকে সেই ছবিটি সিলেক্ট করুন যেটি ফেইসবুকের
প্রফাইলে দিতে চান।এবং Upload picture এ ক্লিক করুন। অথবা ছবিটি এখন দিতে না চাইলে Skip দিন।দেখুন একটি পেইজ আসবে তাতে Home|Edit profile|
Friend|Message|Notification|Chat এই মেনু গুলো থাকবে। ব্যাস আপনার ফেইসবুক আইডি খোলা হয়ে গেছে।
এখন আপনি যে কোন সময় এই ব্রাইজার দিয়ে www.Facebook.com এই Address এ গেলেই আপনার ফেইসবুক টি ওপেন হবে।কারন আপনার এই ব্রাউজারে আপনার ফেইসবুকটি Log in করা আছে।কিন্তু যদি কোন কারনে Log out হয়ে যায় বা অন্য কোন মোবাইল বা ব্রাউজার দিয়ে Use করতে চান।
তাহলে Www.facebook.com এ গিয়ে প্রথম বক্স আপনার মোবাইল নাম্বারটি দেন। (যেটি দিয়ে ফেইসবুক খুলেছেন) এবং দ্বিত্বীয় বক্সে Password দিয়ে Log in করুন।

Facebook ব্যবহারের নিয়ম br />
Home|Edit profile|Friend|Messages|Notification|Chat নিচে সব
কয়টি মেনুর কাজ উল্লেখ করা হল।
1-Home আপনি যখন যে অবস্থায় থাকেন না কেন,Home ক্লিক করলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
2-Edit Profile:- এখান থেকে আপনার সম্পর্কে অনেক তথ্য যুক্ত করতে পারবেন।
3- Friend:- কেউ আপনাকে Friend request পাঠালে কিংবা আপনার বন্ধুদের তালিকা এখানে পাওয়া যাবে।
4- Messages:- কেউ আপনাকে মেসেজ পাঠালে এই মেনুতে গেলে সেটা পাবেন।
5- Notification:- আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট কেউ গ্রহন করলে,আপনি কোন স্টেটাস এ Like বা Comment করেছেন,তাতে আপনার আর এক ফ্রেন্ড ও Like বা Comment করলে সেগুলো Notification আকারে যেনে দেয়।
6- Chat:- আপনার বন্ধুদের
মধ্যে কে কে এখন ফেইসবুক ব্যাবহার করছে বা অনলাইনে আছে তা Chat থেকে দেখতে পারবেন
এবং সেখান থেকে message এ
ক্লিক করে ম্যাসেজ করতে ও পারবেন।
7- আপনে কি সবার উদ্দেশ্য কিছু
লেখতে চান যেমন সকালে উঠে Good morning বা রাতে Good night । তাহলে Home এ ক্লিক করুন।এবং একটু
নিচের দিকে আসুন, এবং What's on your mind? বক্সে সেটা লেখে Share বাটনে ক্লিক করুন।

8- কোন ছবি সবার উদ্দেশ্য Upload করতে চাইলে Home এ কিল্ক করুন। নিচের What's on your mind? বক্সের নিচে ডান কোনায় More option এ গিয়ে,আপরে ডান কোনায় Upload photo তে গিয়ে File does not exist থেকে ছবিটি সিলেক্ট করে Upload এ ক্লিক করুন। যে কোন সমস্যায় পড়লে কিংবা কিছু বুঝতে না পারলে। ফেইসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে,এখনি নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে
Click here
Add বাটনে চাপ দিন। তাহলে আমার কাছে আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট চলে আসবে আর আমি Confirm করলেই আপনি আমার বন্ধু হয়ে যাবেন।তখন আমার সাথে মেসেজে যোগাযোগ করতে পারবেন।

Friday, February 24, 2017

কিভাবে বিনা মূল্যে সহজে একটি সুন্দর ওয়েভ ব্লগ সাইট তৈরি করা যায়।

আপনার মত প্রকাশের জন্য একটি সুন্দর ব্লগ বা ওয়েভ পেজ পাওয়ার দরকার। আপনার ব্যবসা বা যে কোন প্রতিষ্ঠানের একটি ইন্টারনেট সাইট থাকা উচিত। ওয়েভ সাইট খুলতে গেল সবসময় অর্থের প্রয়োজন হয়না। খুব দক্ষ ওয়েভ ডিজাইনারও হওয়ার দরকার নেই। google আপনাকে খুবই সহজে এ সুযোগ দিচ্ছে। যেটি আপনা যে কোন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। আমরা বিষয়টি পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপন করছি যে কিভাবে আপনি একটি ওয়েভ সাইট তৈরি করবেন।


ধাপ ১। প্রথমে www.gmail.com এ একটি একাউন্ট খুলুন।
ধাপ ২। www.blogger.com পেজে প্রবেশ করুন। আপনার gmail account দ্বারা লগ ইন বা সাইন ইন করুন। সাইন ইন করা অবস্থায় থাকলে প্রয়োজন নেই।
যদি আপনি google এ পোফাইল সম্পূর্ণ করে না থাকেন তাহলে নিচের চিত্রের ন্যায় একটি পেজ পাবেন।
create a blogger profile এর উপর ক্লিক করুন এবং মোটামোটি প্রফাইল সম্পূর্ণ করুন। continue to blogger এর উপর ক্লিক করুন।
ধাপ ৩। একটি নতুন পেজ আসবে;
“New blog” বাটুনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৪। blog title এবং blog address লিখুন। উক্ত blog address যদি পূর্বে কারও না থাকে তাহলে পাশে টিক চিহ্ন আসবে
নতুবা আবার ভিন্ন কিছু লিখুন।
blog address এর নিচে template সমূহ দেখতে পাবেন। যে কোন একট সিলেক্ট করে Create blog বাটনে ক্লিক করুন। নতুন হিসাবে simple template ব্যবহার করা ভাল।
ধাপ ৫। আপনার ব্লগ ওয়েভসাইট হয়ে গেল। এখন আপনি নতুন পোস্ট লিখতে পারেন। আরও দৃষ্টা নন্দন ভাবে সাজাতে প
ারেন। blog address এ যা লিখেছিলেন তাই আপনার ওয়েভ পেজ।
ধন্যবাদ আমাদের পেজটি পড়ার জন্য। blogger এ ওয়েভ পেজে পোস্ট করা সহ দৃষ্টিনন্দন ও ব্যবহার উপযোগী করার জন্য যাবতীয় বিষয় সমূহ পাঠকদের শিখানোর উদ্দেশ্যে পোস্ট করা আছে।

কিভাবে Blogger প্লাটফর্মে Attribution রিমোভ করে ব্লগের নিজে নিজের নাম বা অন্য লেখা প্রদর্শন করানো যায়?

এ অধ্যায়ে যে বিষয় গুলো শিখতে পারবেন:
Ø Blogger প্লাটফর্মে কিভাবে
Attribution রিমোভ করা যায়?
Ø কিভাবে ব্লগের নিচে Attribution এর স্থানে নিজের নাম বা অন্য লেখা বসানো যায়?
আপনার তৈরিকৃত ব্লগের নিচের অংশে কোন ডিজাইনারের নাম থাকা আপনার খারাপ লাগতে পারে। আপনি চাইলে তা রিমোভ করতে পারেন। সেখানে অন্য কোন লেখা বসাতে পারেন। কিভাবে তা করবেন তা দেখানো হল
১) লগ/সাইন ইন করে যে ব্লগ থেকে রিমোভ করবেন সে
Blog>Template>Edit HTML এ প্রবেশ করুন।


২। Jump to widget বাটনে ক্লিক করে পপ ডাউন থেকে Attribution 1 এ ক্লিক করুন।

৩। <b:section class='foot' id='footer-3' showaddelement=' no'>
<b:widget id='Attribution1' locked='true' title='' type='Attribution'>
উপরের কোড টি খুজে বের করুন
৪। no এর স্থলে yes এবং true এর স্থলে false লিখুন। Save Template
বাটনে ক্লিক করুন।
৫। Template সেভ হয়ে গেলে Dashboard এ Layout বাটনে ক্লিক করুন।
৬। Layout এ Attribution বারে Edit লেখার উপর ক্লিক করুন। নতুন পেজ আসবে।
৭। সেখান থেকে Remove বাটনে ক্লিক করুন। Attribution লেখা গুলো রিমোভ হয়ে যাবে।

১। Layout এর নিচের অংশে থাকা
Add a gadget লেখার উপর ক্লিক করুন।
gadget পেজ আসবে।
২। সেখান থেকে HTML/JavaScript
নামক gadget খুজে বের করে তার উপর ক্লিক করুন। নতুন পেজ আসবে।

৩। বক্স ফাকা রfখুন এবং HTML
লেখার বক্সে নিচের কোডটি পরিবর্তন করে লিখুন।
<meta http-equiv="Content-Language" content="en-us">
<p align="center"><b><font size=" 5"> Guideline Team</font></b></p>
font size=" 5" হল লেখার আকার এবং
Guideline Team হল যে লেখা প্রদর্শিত হবে।

৪। Save বাটনে ক্লিক করুন।

কিভাবে Template কাস্টোমাইজ বা নিজের মত করে তৈরি করবেন?

আপনি চাইলে আপনার ডিফল্ট যে Template ব্যবহার করছেন তার Page Color, Text Color, Background, Tetle color ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারবেন। এ অধ্যায়ে আমরা সে সব বিষয় আলোচনা করব। এ অধ্যায়ের অধাকাংশ কাজই খুব সহজ আপনি একবার দেখলে বুঝতে পারবেন। আপনি নতুন ব্লগার হলে হয়তো সামান্য সমস্যা হতে পারে মনযোগ দিয়ে অনুশীলণ করলে কোনা কিছুই কঠিন নয়।
প্রথমে, Dashboard এ Template>Customize পরপর ক্লিক করে এগিয়ে যান।
একটি নতুন পেজ আসবে সেখাবে উপরের অংশে Template সম্পর্কিত এবং নিচে আপনার ব্লগটি দেখতে পাবেন। উপরের অংশে পর্যায়ক্রমে Templates, Background, Adjust Widths, Layout এবং Advanced বাটন দেখতে পাবেন। এগুলোতে কার্যক্রম নিচে দেখানো হল। যে কোন কাজ করার পর তা চালু করতে উপরে ডান দিকে Apply to Blog ক্লিক করতে হবে।

Templates: এ অপশনে প্রবেশ করলে আপনি Blogger এর ডিফল্ট সব Template দেখতে পাবেন। আপনি Template পরিবর্তন করতে চাইরে; এখান থেকে যে কোন Template এর উপর ক্লিক করলেই সেই Templates টি ইনস্টল হয়ে যাবে।
Background: Background বাটনে ক্লিক করে আপনার ব্লগের Background ও পেজ Colour পরিবর্তন করতে পারবেন। Just color Box এ ক্লিক করে।
Background পরিবর্তন: Backgroundবাটনে ক্লিক করলে Background image ও Main Color Theme নামক দুটি অপশন পাবেন। সেখান থেকে Background লেখার নিচে বক্সে ক্লিক করুন। একটি সাবপেজ আসবে।
সাবপেজে Upload, Arts, Business ইত্যাদি দেখতে পাবেন।Upload বাটনে ক্লিক করে আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে যে কোন ছবা সন্নিবেশন করতে পারেন। পরবর্তী সকল অপশনে একাধিক ছবি দেয়া আছে সেখান থেকে যেকোন ছবির উপর ক্লিক করে নিচে Done ক্লিক করলে আপনার Background পরিবর্তিত হয়ে যাবে।
Main Color Theme পরিবর্তন: Background বাটনে ক্লিক করলে Background image ও Main Color Theme নামক দুটি অপশন পাবেন। সেখান থেকে Background image লেখার নিচে বক্সে ক্লিক করুন।Color প্যালেট আসবে সেখান থেকে ইচ্ছা মত রং সিলেক্ট করুন। Main Color Theme পরিবর্তিত হয়ে যাবে। উপরে ডান দিকে Apply to Blog ক্লিক করুন।
Adjust Widths : Adjust Widths বাটনে ক্লিক করলে উপরে সম্পূর্ণ ব্লগ ও নিচে সাইডবার গুলোর Widths বা প্রস্থ দেখা যাবে। এখান থেকে আপনি ব্লগ বা সাইডবারের প্রস্থ বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। উপরে ডান দিকে Apply to Blog ক্লিক করুন।
Layout: Layout বাটনে ক্লিক করলে বাম দিকে কয়েকটি Layout এবং ডান দিকে কয়েকটি Layout দেখতে পাবেন। আপনার পছন্দমত উভয় থেকে একটি করে সিলেক্ট করুন। Layout মূলত আপনার ব্লগে কতটি কেমন সাইডবার হবে তার প্রদর্শন করে থাকে। উপরে ডান দিকে Apply to Blog ক্লিক করুন।
Advanced: Template এর Advancedঅপশনে অনেক গুলো অপশন পাবেন।আপনি যে অপশনে কাজ করবেন তা আপনার ব্লগে যেখানে আছে মার্কড হয়ে যাবে যাতে আপনি প্রিভিউ দেখতে পারেন। নিচে অপশনসমূহ আলোচনা করা হল-
Page Text: এ অপশনে আপনি ব্লগের পেজে যে লেখা লিখবেন তার রং, সাইজ, বোল্ড, আন্ডারলাইন ইত্যাদি করতে পারবেন। ঠিক MS Word এর মতই।
Backgrounds: Advanced এর এ অপশনে আপনি Outer Background, Main Background  এবং Header Background  নামক তিনটি রং পরিবর্তনের স্থান পাবেন। Outer Background হল পেজের বাইরের Background, Main Background  হল পেজের Background. এখানে আপনি যে রং সিলেক্ট করবেন তা আপনার ব্লগ পেজের ব্যাকগ্রাউন্ড হয়ে যাবে। পেজের উপরের অংশের ব্যাকগ্রাউন্ডের রং Header Background  থেকে পরিবর্তন করা যাবে। প্রতি ক্ষেত্রে নিচে প্রদর্শিত আপনার ব্লগ দেখুন কেমন দেখায়। পছন্দ হলে উপরে ডান দিকে Apply to Blog ক্লিক করুন।
Links: Links হল আপনার ব্লগে যত লিঙ্ক আছে যেখানে ক্লক করলে অন্য পেজে বা সাইটে যাওয়া যায়। এখানে তিনটি অপশন পাবেন। 1) Link Color 2) Visited Color 3) Hover Color. Link Color হল সাভাবিক অবস্থায় লিঙ্ককৃত লেখার রং। Visited Color হল যখন উক্ত link এ কেউ ক্লিক করে করবে তখন যে রং হবে এবং Hover Color হল যখন link এর উপর মাউজ পয়েন্ট রাখবে তখন যেমন color হবে। তিনটি ক্ষেত্রেই বক্সে ক্লিক করে রং পরিবর্তন করতে পারবেন।
Blog Title: Blog Title হল আপনার পেজের উপরের অংশ। আপনি যদি Blog Title এ যা লিখেছেন তার রং ও ফ্রন্ট পরিবর্তন করতে চান তাহলে এ অপশনে Front এ পরিবর্তনম সাইজ, বোল্ড, আন্ডার লাইন ইত্যাদি করতে পারবেন এবং Title Color এর বক্স থেকে টাইটেল লেখার রং পরিবর্তন করতে পারবেন।
Blog Description: আপনি যদি Blog Description লিখে থাকেন এবং প্রদর্শন করান সেখানে Blog Description এর রং পরিবর্তন করতে পারবেন।
Tabs Text এবং Tabs Background: : আপনি যদি আপনার ব্লগে তৈরিকৃক পেজগুলোকে Tab এ দেখান সেক্ষেত্রে এ অপশনের সাহায্যে আপনি text front and size, Tab color, Selected color পরিবর্তন করতে পারবেন। Tabs  Background এর সাহায্যে Tabs এর Background এর রং পরিবর্তন করতে পারবেন। অবশ্য আপনাকে আগে আপনার ব্লগের পেজগুলো Tab এ দেখাতে হবে এ পদ্ধতি আপনি Gatget এর Page অপশনে দেখতে পাবেন।
আপনি যদি আপনার ব্লগে তৈরিকৃক পেজগুলোকে Tab এ দেখান সেক্ষেত্রে এ অপশনের সাহায্যে আপনি text front and size, Tab color, Selected color পরিবর্তন করতে পারবেন। অবশ্য আপনাকে আগে আপনার ব্লগের পেজগুলো Tab এ দেখাতে হবে এ পদ্ধতি আপনি Gatget এর Page অপশনে দেখতে পাবেন।
Post Title, Date Header, Post Footer, Gadgets: এ অপশন গুলোর কার্যপদ্ধতি অনেকটা একই এবং সহজ যা আপনি সহজে বুঝতে পারবেন। এখানে আমরা শুধুমাত্র এ অপশন গুলোর পরিবর্তনে ব্লগের কোন অংশ পরিবর্তন হবে তা বোঝানোর চেষ্টা করছি।
Post Title: আপনার লেখা পোস্ট বা পেজে যে Title আপনি লিখেছেন।
Date Header : আপনি যে তারখে Post করেছেন সে তারিখের Text এবং background পরিবর্তন।
Post Footer: আপনার ব্লগের নিচের অংশ যেখানে Comment Box সেখানের পরিবর্তন।
Gadgets : আপনার ব্লগের সাইডবারে যা কিছু করেছেন তা Title এর পরিবর্তন।
Image: আপনি আপনার ব্লগে ছবি সন্নবেশন করলে সে ছবির বর্ডার, background এর রং পরিবর্তন করতে পাবেবন; কালার বক্সে ক্লিক করে।
Accents: Accents এ Separator Line Colour অপশনে আপনি আপনার ব্লগ পেজ ও সাইটবারের মাঝের ডিভাইডার রেখার পরিবর্তন করতে পারবেন। এবং Tabs Border Colour এর মাধ্যমে Tabs এর ডিভাইডার রেখার পরিবর্তন করতে পারবেন।
Mobile Button Color: এ অপশনে আপনি আপনার ব্লগে Mobile Button সন্নবেশন করলে তার রঙের পরিবর্তন করতে পারবেন।
Add CSS: এ অপশনটি HTML Code যারা জানেন শুধু তাদের জন্য।
Customize Mobile Template: আপনার ব্লগটি মোবাইলে ভিজিট করলে কেমন দেখাবে তা নির্ধারণ করতে এ অপশনটি ব্যবহার করা হয়। এখানে আপনি প্রথমে দুটি অপশন পাবেন।
On mobile devices, show a mobile version of your current template.
Yes. Show mobile template on mobile devices.
No. Show desktop template on mobile devices.
No বাটনে ক্লিক করলে আপনার ব্লগ মোবাইলে এ কম্পিউটারে একই দেখাবে না বরং মোবাইলে অন্য রকম দেখাবে।

কিভাবে একটি পেজ তৈরি করে অথবা হোম পেজে লেখা, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি দেয়া যায়।

একটি সুন্দর ওয়েভসাইট তৈরি করার পর আপনার বক্তব্য বা যে কোন কিছু লিখতে পারেন। এই পেজে আমরা কিভাবে হোম পেজে article লিখতে হয় এবং কিভাবে একটি নতুন পেজ তৈরি করে তাহাতে লিখা যায় তা দেখাবো। article লেখার সময় কিভাবে ছবি, ভিডিও ইত্যাদি সন্নিবেশন করতে হয় তা শিখতে পারবেন। মনযোগ দিয়ে পড়ুন এবং ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করুন।



ধাপ ১: www.blogger.com এ সাইন ইস করুন। আপনার ব্লগের উপর ক্লিক করুন। ড্যাসবোর্ডে (Dashboard বামে) new post বাটনে ক্লিক করুন। article লেখার জন্য নতুন পেজ আসবে।
ধাপ ২। প্রথমে পোস্ট টাইটেল লিখুন। তারপর নিচে আপনার article লিখুন। article লেখার স্থানের উপরে বাপ কোনায় Compose ও HTML দুটি বাটন পাবেন সেখান থেকে
Compose বাটনে ক্লিক করুন এবং লেখা শুরু করুন। সেখানে Ms Word এর মতন ফ্রন্ট সাইজ, বোল্ড, আন্ডার লাইন, টেক্স কালার ইত্যাদি পাবেন। (HTML কোড শেখা থাকলে লিখতে পারেন)


ধাপ ৩। আপনি যদি article লেখার মাঝে কোন ছবা সন্নিবেশন করতে চান তাহলে যে স্থানে করবেন সেখানে কারসর রাখুন এবং Insert Image বাটনে ক্লিক করুন (উপরে ছবিতে দেখানো আছে)। নতুন সাবপেজ আসবে সেখানে Upload
বাটনে ক্লিক করলে Choose files বাটন পাবেন যেখানে ক্লিক করলে আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ আসবে। ছবি সিলেক্ট করুন কাছুক্ষণের মধ্যে আপনি তা দেখতে পাবেন। তার উপর ক্লিক করে সিলেক্ট করুন। নিচে অবস্থিত Add seleted বাটনে ক্লিক করুন। ছবি সন্নিবেশিত হয়ে যাবে। একই ভাবে আপলোড না করে Upload বাটনের নিচের আপশনগুলো ব্যবহার করে ছবি সন্নিবেশন করা যায়।
ধাপ ৪। এখন যদি ভিডিও সন্নবেশন করতে চান তাহলে যে স্থানে করবেন সেখানে কারসর রাখুন এবং
Insert video বাটনে ক্লিক করুন (Insert Image বাটনের ঠিক ডান পাশে)। নতুন সাবপেজ আসবে সেখানে Upload
বাটনে ক্লিক করলে Choose files বাটন পাবেন যেখানে ক্লিক করলে আপনার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ আসবে। ছবি সিলেক্ট করুন কাছুক্ষণের মধ্যে আপনি তা দেখতে পাবেন। তার উপর ক্লিক করে সিলেক্ট করুন। নিচে অবস্থিত Add seleted বাটনে ক্লিক করুন। ভিডিও সন্নিবেশিত হয়ে যাবে। ঠিক সবি সন্নিবেশন পদ্ধতির অনুরূপ।
ধাপ ৫: সবশেষে publish বাটনে ক্লিক করুন। কাজ সম্পন্ন হল।
নতুন পেজ তেরি: ড্যাসবোর্ডে post বাটনের নিচে Pages > New Page ক্লিক করুন। article লেখার জন্য নতুন পেজ আসবে। বাদবাকী সবকিছু New Post এর মতই। আপনার তৈরিকৃত পেজ কোথায় দেখা যাবে তা Gadget
নিয়ে আলোচনায় দেখতে পাবেন।
প্রতিটি বিষয় শেখার পর যত অনুশীলন করবেন তত বেশি দক্ষ হেত পারবেন।

Blogger এর Dashboard tools সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা।

আপনি blogger এ একটি ব্লগ তৈরি করেছেন এখন এটির সুন্দর্য বৃদ্ধি করতে হবে। blogger এ ব্লগের ক্ষেত্রে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল এর
Dashboard tools। প্রথমে আনাকে এই টুলস গুলোর সম্পর্কে ভালভাবে জানতে হবে। আজকে আমরা
Dashboard tools সম্পর্কে ধারণা দিব।
প্রথমে blogger এ লগ/সাইন ইন করুন। আপনার ব্লগ/ব্লগগুলো দেখতে পাবেন। ব্লগ টাইটেল এর উপর ক্লিক করুন।
একটি নতুন পেজ আসবে এটিই হল
Dashboard. এখানে বাম দিকে টুলসগুলো দেখতে পাবেন। নিচে টুলসগুলো সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেওয়া হল।
১। New post : Dashboard tools এ সবার উপরে দেখতে পাবেন New post টুলস। এ বাটনে ক্লিক করে আপনি হোমপেজে নতুন কিছু লিখতে পারবেন। পরবর্তীতে বিস্থারিত দেখতে পাবেন।
https://oursite24.blogspot.in/2017/02/blog-post_87.html?m=0
২। Overview: Dashboard tools এ দ্বিতীয় অবস্থানে দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ব্লগে কত জন প্রবেশ করেছে, কোথাথেকে প্রবেশ করেছে ইত্যাদি। এটার মূলত পর্যবেক্ষণ ছাড়া কোন কাজ নেই।
৩) Post: এটি একটি কার্যকারী টুলস। আপনি যতগুলো পোস্ট করেছেন তার সবগুলো এর মধ্যে দেখতে পাবেন। কোন পোস্টে কোন কিছু পরিবর্তন করতে হলে এখান থেকে
Edit করতে হবে।
৪) Pages: এটি একটি কার্যকারী টুলস। আপনি যতগুলো পেজ করেছেন তার সবগুলো এর মধ্যে দেখতে পাবেন। কোন পেজে কোন কিছু পরিবর্তন করতে হলে এখান থেকে
Edit করা যায়। উপরে New Page
বাটনে ক্লিক করে নতুন পেজ সৃষ্টি করা যায়। Post ও Pages তৈরি ও Edit কিভাবে করবেন। কিভাবে ছবি, ভিডিও ইত্যাদি সন্নিবেশন করবেন জানতে হলে ক্লক করুন
৫) Comments: এটির তেমন কোন কার্যকারীতা নেই। আপনার ব্লগে পাঠকগণ যাযা Comments করবে তাই দেখা যাবে। আপনি আপনার ব্লগের কোন Comment ডিলেট করতে চাইলে এখানে প্রবেশ করে করতে পারবেন।
৬) Google+: Google+ হল Google এর একটি সামাজিক সাইট যেমন ফেজবুক। ব্লগ তৈরিতে এর তেমন কোন কাজ নেই। আপনি সরাসরি যেমন Google+ এ সামাজিক বন্ধু বৃদ্ধি, Chatting বা অন্য কাজ করতে পারেন। তেমনি এখান থেকে Get Start বাটনে ক্লিক করে প্রোফাইল তৈরি করে Google+ এর কাজ করতে পারেন।
৭) Status: এটি ঠিক overview টুলস এর মত। এখানে আপনি আপনার ব্লগের
Status দেখতে পারবেন। কোন সময় কোথা থেকে কতজন আপনার সাইট ভিজিট করল কোন সাইট থেকে প্রবেশ করল বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করে প্রবেশ করল ইত্যাদি দেখতে পাবেন। ব্লগ তৈরি বা সাজাতে এর কোন কাজ নেই।
৮) Earnings: blogger এ ব্লগ তেরি করে
google ads পাবলিস এর মাধ্যমে আয় করা যায়। সে জন্য ভাল একটি ব্লগসাইট তৈরি করতে হবে যাতে ভিজিটর বাড়াতে হবে তারপর আপনি google ads এর জন্য আবেদন করলে সফল হতে পারবেন। । এসম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্থারিত আলোচনা করা হয়েছে।
৯)Layout: এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টুলস। আপনার ব্লগের বাহ্যিক সুন্দর্য়তা এটির উপর নির্ভর করে। এখান থেকে আপনি আপনার ব্লগের কোন স্থানে কি আছে তা বুঝতে পারবেন। সাইডবারে যা কিছু যুক্ত করতে চান তা এ অপশনের মাধ্যমে করতে হবে। এখান থেকে আপনি
Lebel, Search Box, HTML code, Text, Image, Video ইত্যাদি সাইটবারে যুক্ত করতে পারবেন।
১০) Template: এটিএ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ টুলস। Template-ই মূলত ব্লগের প্রাণভোমরা। এ অপশনের মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগটির জাবতীয় লেখার ধরন, রং, পেজের আকার, সাইড বারের সংখ্যা ও আকার, ব্যাকগ্রাউন্ড ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারবেন।
ক) কিভাবে Template পরিবর্তন করতে পারবেন?
খ) কিভাবে ব্লগের Background পরিবর্তন করতে পারবেন?
গ) কিভাবে ব্লগের আকার বড় বা ছোট করবেন?
ঘ) যাবতীয় লেখার রং, ফ্রন্ট, ফরম্যাট ইত্যাদি কিভারে পরিবর্তন করবেন?
ঙ) কাভাবে Tabs, সাইটবার ডিভাইবার ইত্যাদির রং পরিবর্তন করবেন?
এছাড়াও আরও কিছু বিষয় জানতে ক্লিক করুন।
https://oursite24.blogspot.in/2017/02/template.html?m=0
১১) Settings: আপনার ব্লগের Title, Description, Address, মালিকানা, কারা পরতে পারবে, কতগুলো Post ও Comment এক পেজে দেখাবে, ইত্যাদি নির্ধারণ করতে Dashboard
এর Settings অপশনটি ব্যবহার করা হয়। ব্লগ বা সাইট ভালভাবে তৈরি হওয়ার পর এখানে কাজ করতে হয়।
ব্লগ বা ওয়েভ সাইট তৈরি করতে আপনাকে অনুশীলন করতে হবে। এক সাথে একাধিক ব্লগ তৈরি করুন। প্রাকটিসে সুবিধা হবে।